আওয়ামীলীগ

কোভিড-১৯ ভাইরাসটি খুব তাড়াতাড়ি আমাদের দেশ থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম – অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২০ উপলক্ষে ৫ জুন বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ কমিটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ” সময় এখন প্রকৃতিরঃ বৈশ্বিক মহামারী এবং দূর্যোগের সাথে সহনশীলতা বৃদ্ধির উপযোগিতা ” শীর্ষক এক অনলাইন সেমিনার আয়োজন করা হয়।

রাত ৮টায় বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ফেসবুক পেইজ থেকে অনলাইন সেমিনারটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।

সেমিনারে অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, ভাইরাসগুলো বন্য প্রানী থেকে আসছে। মানুষ বন্য প্রানীর বসবাসের জায়গা দখল করে নিচ্ছে। ফলে মানুষ এবং বন্য প্রানীদের সংঘাত অনিবার্য হয়ে পড়ছে। ভবিষ্যতে এমন আরও অনেক ভাইরাস আসতে পারে। এছাড়াও আমরা কম খরছে পন্য উৎপাদনের জন্য পরিবেষ দূষণ করি। নাহয় পন্যের মূল্য বেশী হয় এবং আমরা যারা ক্রেতা তারা কিনতে চাই না। আমাদের এই মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে এবং পরিবেশ দূষন রোধ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কোভিড-১৯ ভাইরাসটি খুব তাড়াতাড়ি আমাদের দেশ থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। এটার টীকা খুব দ্রুত আবিষ্কার হওয়া এবং হলেও সবাইকে দেয়া যাবে এমন সম্ভাবনা দুই চার বছরেও দেখছি না। এটাকে নিয়েই আমাদের চলতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করোনা মোকাবেলায় অনেক পদক্ষেপ নিয়েছেন, অনেক ডাক্তার এবং নার্স নিয়োগ দিয়েছেন। আমাদের স্বাস্থ ব্যাবস্থার এই ভঙ্গুর অবস্থা অনেক আগে থেকেই। আমাদের জিডিপির শতকরা ১ভাগও আমরা স্বাস্থ খাতে খরচ করিনা। চীন আমাদের থেকে ১০ গুন এবং ইতালী চীনের থেকে ৭গুন বেশী স্বাস্থ খাতে খরছ করে। তারপরও ইউরোপের এই উন্নত স্বাস্থ ব্যাবস্থা কোবিড-১৯ মোকাবেলায় হিমসিম খাচ্ছে।

অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ বলেন, চিকিৎসক স্বাস্থকর্মী স্বল্পতা ছিল। সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় দুই হাজার চিকিৎসক, সাড়ে পাঁচ হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছে। এখন আবারও দুই হাজার চিকিৎসক এবং সাড়ে তিন হাজার টেকনিশিয়ান নিয়োগ দেয়া হবে। সারাদেশের সদর হাসপাতালে ভেন্টিলেশন, আইসিউ স্থাপনের কাজ চলছে। ৩৯টি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাগিয়ে কাজ চলছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের লজিস্টিক দিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্বের সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যাবস্থার দেশগুলোও করোনা মোকাবেলায় হিমসিম খাচ্ছে। সেই হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। প্রথম দিকে বিভিন্ন সামগ্রীর অভাব এবং সেগুলোর মান প্রশ্ন থাকলেও এখন সেই সমস্যাগুলো নেই। বিরোধী দলের যারা এসব নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করছেন তাদের আমরা কখনোই জনগনের পাশে দেখি নাই।

উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক,এমপি, অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, মহাসচিব, স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষধ (স্বাচিপ), অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন, অণুজীববিজ্ঞানী সমীর কুমার সাহা, অধ্যাপক ড. আফতাব আলী শেখ, রসায়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক ড. মেহতাব খানম, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

উক্ত সেমিনার সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close